কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২ জুন, ২০২১ এ ০৬:০৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসুচী(সিপিপি)
কর্মরত অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়ে নিহত স্বেচ্ছাসেবকদের নামের তালিকা
| ক্রমিক | মৃত স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ঠিকানা | সন | মুত্যুর কারন |
| ১ | ফজল আহমেদ মহেশখালী, কক্সবাজার
| ১৯৯১ | ঘূর্ণিঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে যায়। |
| ২ | বদিউল আলম উখিয়া, | ১৯৯১ | উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে যায়। |
| ৩ | জালাল আহমেদ কুতুবদিয়া, কক্সবাজার | ১৯৯১ | সংকেত প্রচাররত অবস্থায় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যায়। |
| ৪ | মৌলভী মোঃ হোসেন কুতুবদিয়া, কক্সবাজার | ১৯৯১ | জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান। |
| ৫ | নূরুল হুদা কুতুবদিয়া, কক্সবাজার | ১৯৯১ | জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান। |
| ৬ | আবদুল মাবুদ কুতুবদিয়া, কক্সবাজার | ১৯৯১ | জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান। |
| ৭ |
পেকুয়া (সাবেক চকরিয়া), কক্সবাজার | ১৯৯১ | মেগাফোন ও হ্যান্ডসাইরেনসহ প্রচার করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান। |
| ৮ | ইউসুফ আলী পেকুয়া (সাবেক চকরিয়া), কক্সবাজার | ১৯৯১ | ঘূর্ণিঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান। |
| ৯ |
পেকুয়া (সাবেক চকরিয়া), কক্সবাজার | ১৯৯১ | জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয় স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং প্রচার করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান। |
| ১০ | মোঃ নবীর উদ্দিন হাতিয়া, নোয়াখালী | ১৯৯১ | জনগণকে উদ্ধারকালে নদীর পাড়ে বেড়ী বাধেঁ জলোচ্ছাসে আটকা পড়ে মারা যান। |
| ১১ | বেলাল উদ্দিন হাতিয়া, নোয়াখালী | ১৯৯১ | জনগণকে উদ্ধারকালে নদীর পাড়ে বেড়ী বাধেঁ জলোচ্ছাসে আটকা পড়ে মারা যান। |
| ১২ | ওমর ফারুক সুবর্নচর, নোয়াখালী | ১৯৯১ | ঝড়ের সংবাদ প্রচার এবং উদ্ধার কাজে বের হয়ে আর ফিরে আসেন নি। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। |
| ১৩ | নূরুদ্দিন সুবর্নচর, নোয়াখালী | ১৯৯১ | উদ্ধার কাজে বের হয়ে আর ফিরে আসেন নি। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। |
| ১৪ | নূর উদ্দিন সুবর্নচর, নোয়াখালী | ১৯৯১ | ঝড়ের সংবাদ প্রচার কাজে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। |
| ১৫ | খুকী রানী গুহ সন্দ্বীপ, | ১৯৯১ | মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময়ে পানিতে ভেসে যায়। পরবর্তীতে বেতঝাড়ের মধ্যে তার মৃত দেহ পাওয়া যায়। |
| ১৬ | আবুল কাশেম সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম | ১৯৯১ | জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংকেত প্রচাররত অবস্থায় পানিতে ভেসে যায়। |
| ১৭ | আবু বকর ছিদ্দিক সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম | ১৯৯১ | লোকজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে যায়। উল্লেখ্য যে, তার পরিবারের একমাত্র কন্যা সন্তান ছাড়া অন্যরা সকলেই ঝড়ে মারা যায়। |
| ১৮ | আবুল কাশেম সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম | ১৯৯১ | ঝড়ের সংকেত জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করতে গিয়ে নিখোঁজ হন হন। পরের দিন তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। |
| ১৯ | আজিম উদ্দিন সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম | ১৯৯১ | সংকেত প্রচার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যান। |
| ২০ | মোজাহার হোসেন গলাচিপা, পটুয়াখালী
| ১৯৯১ | সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে আর ফিরে আসেন নি। পরবর্তী মেগাফোন হাতে ভেস্ট পরা অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। |
| ২১ | রফিজুল ইসলাম মনপুরা, ভোলা | ১৯৯১ | জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যান। |
| ২২ | আবদুর রহিম মনপুরা, ভোলা | ১৯৯১ | জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যান। |
| ২৩ | সূর্য্য লাল দাস সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
| ১৯৯৭ | সন্দ্বীপ চ্যানেলে নৌকাসহ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে সন্দ্বীপ চ্যানেলে নিমজ্জিত হয়ে নিখোঁজ হন। তার মৃতদেহ পাওয়া যায় নি। |
| ২৪ | তাছলিমা বেগম সদর, বরগুনা | ২০০৭ | ঘূর্ণিঝড় সিডরের সংকেত প্রচারকালে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যায়। মৃতদেহ পাওয়া যায়নি। |
| ২৫ |
শরনখোলা, বাগেরহাট
| ২০০৭ | ঘূর্ণিঝড় সিডরে জনগণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় নিজ কন্যা সহ জলোচ্ছোসে নিখোঁজ হন। পরের দিন মেয়ে কোলে অবস্থায় উভয়ের মৃতদেহ পাওয়া যায়। |
| ২৬ | মোজাম্মেল হোসেন মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর | ২০০৭ | ঘূর্ণিঝড় সিডরে দুবলার চরের জেলেদের নিরাপদ আশ্রয় স্থানে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে যান। পরেরদিন তার মৃতদেহ সুন্দরবনের একটি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় হ্যান্ড সাইরেনসহ পাওয়া যায়। |
| ২৭ | সৈয়দ শাহ আলম কলাপাড়া, পটুয়াখালী | ২০২০ | ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সতর্কবার্তা প্রচারকালে দমকা হাওয়ায় নৌকা উল্টে নিখোঁজ হন। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। |